সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থানের মেয়াদ কিভাবে জানবেন, জানাল মার্কিন দূতাবাস অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো অনেক বড় ব্যাপার: টাইগার বোলিং কোচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী লুট-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হালান্ড-চেরকির জোড়া গোলে ম্যানসিটির দাপুটে জয় রোনালদোর গোলে আল নাসরের জয়, গড়লেন রেকর্ড টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের সেমিতে বাংলাদেশ এইচপি দল এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশে দমন-পীড়ন চলছে: এইচআরডব্লিউ

গতকাল রোববার (২৬ নভেম্বর) সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ অক্টোবর প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পূর্বপরিকল্পিত সমাবেশের পর থেকে প্রায় ১০ হাজার কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চলমান সহিংসতায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ।

এ বিষয়ে এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া বিষয়ক জ্যেষ্ঠ গবেষক জুলিয়া ব্লেকনার বলেন, সরকার কূটনৈতিক অংশীদারদের কাছে দাবি করছে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইসঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বিরোধীদের কারাগার ঢোকাচ্ছে।

আরো বলেন, ‘কূটনৈতিক অংশীদারদের স্পষ্ট করা উচিত যে সরকারের স্বৈরাচারী দমন-পীড়ন ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে বিপন্ন করবে।’

এ প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার, ভিডিও ও পুলিশের প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছে। সংস্থাটি জানায়, সাম্প্রতিক নির্বাচন-সংক্রান্ত সহিংসতায় নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যধিক শক্তি প্রয়োগ, নির্বিচারে গণগ্রেফতার, জোরপূর্বক গুম, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

২৮ অক্টোবরের সহিংসতার পর বিএনপির তিনদিনের ধর্মঘটের সময় ও পরে পুলিশ ও ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে বিরোধী দলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। এ সময় কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুলিশ বিক্ষোভের জবাবে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করেছে। আরো বলা হয়, বিরোধীদের ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির’ জন্য অভিযুক্ত করেছে সরকার এবং একে ‘অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করে’ বিএনপির কার্যালয়গুলো সিলগালা করে দিয়েছে।

আরো বলা হয়, ওই সময় সরকারের জ্যেষ্ঠ নেতারা বিবৃতির মাধ্যমে বিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলাকে উৎসাহিত করেছে। ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানের উল্লেখ করে বলা হয়, বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়নে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে সমন্বয় রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com